মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সিটিজেন চার্টার

ভূমিকাঃ যুব সমাজ যে কোন দেশের মুল্যবান সম্পদ । জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতি যুব সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণের উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল । তাদের মেধা, শৃজলশীলতা,সাহস ও প্রতিভাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে একটি জাতির অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল। জনসংখ্যার সবচেয়ে প্রতিশ্রম্নতিশীল ও উৎপাদনমূখী অংশ হচ্ছে যুব গোষ্ঠি। সুতরাং অসংগঠিত, কর্মপ্রত্যাশি এই যুব গোষ্ঠীকে সুসংগঠিত, সুশৃংখল এবং উৎপাদনমূখী শক্তিতে রূপামত্মরের লÿÿ্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রাণালয়াধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় যুব নীতি অনুসারে বাংলাদেশের ১৮-৩৫ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীকে যুব হিসেবে সজ্ঞায়ীত করা হয়েছে। এ বয়স সীমার জনসংখ্যা দেশের মোট জনসংখ্যার এক - তৃতীয়াংশ। দেশের জনসংখ্যার সম্ভবনাময়, আত্মপ্রত্যয়ী, সৃজনশীল ও উৎপাদনÿম এ অংশকে সুসংগঠিত , সুশৃংখল এবং উৎপাদনমূখী শক্তিতে রূপামত্মরের লÿÿ্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৮ সালে যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয় সৃষ্টি করে যা পরবর্তীতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় হিসেবে  পুনঃ নামকরণ করা হয়। মাঠ পর্যায়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম বাসত্মাবায়নের জন্য ১৯৮১ সালে যুব উন্নয়ন সৃষ্টি করা হয়।সদর কার্যালয়ের কার্যক্রম ১৯৯৭ সনে শুরম্ন হয়।

 

কার্যালয় প্রতিষ্ঠার তারিখঃ ১৬/০৭/১৯৯৭ খ্রিঃ

 

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যক্রমঃ যুব সমাজকে সুশৃংখল ও সুসংগঠিত করে জাতীয় উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্তকরণ, সঠিক দিক  নির্দেশনা, জ্ঞান ও দÿতা প্রদানের মাধ্যমে দÿ মানব সম্পদে পরিনত করার লÿÿ্য যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর বিভিন্ন ধরনের কর্মসুচি বাসত্মবায়ন করে আসছে।

(১) বেকার যুবদের দÿতা বৃদ্ধিমুলক প্রশিÿণ কর্মসূচিঃযুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সূচনালগ্ন থেকে বিভিন্ন রকম প্রশিÿণ প্রদানের মাধ্যমে বেকার যুবদেরকে দÿ ও মানব সম্পদে রূপামত্মরিত করে আসছে। উপজেলার প্রত্যমত্ম অঞ্চলের বেকার যুব যাতে স্ব -স্ব অবস্থানে অর্থাৎ বাড়িতে থেকে পরিবারের দ্বায় দায়িত্ব পালন পূর্বক প্রশিÿণ গ্রহন করতে পারে সে লÿ্যকেই সামনে রেখে তাদের চাহিদা মাফিক স্থানীয় যুব সংগঠন/ক্লাব ঘর, স্কুল,কলেজ, মাদ্রাসা , কমিউনিটি হলকে কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করে  এই কর্মসূচির মাধ্যমে ৭-১০ দিন মেয়াদে অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিÿণ প্রদান করা হয়ে থাকে। প্রতি ব্যাচে প্রশিÿণার্থীর সংখ্যা ৩০ জন। বয়স সীমা ১৮-৩৫ বছর। শিÿাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণী পাশ (নূন্যতম)।

অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিÿন ট্রেড সমূহের তালিকাঃ

 

ক্রমিক

অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিÿন ট্রেডের নাম

মেয়াদ

ঘন্টা

পারিবারিক হাঁস-মুরগী পালনঃ

 

 

১.১  ব্রয়লার পালন ও খামার স্থাপন

৭-১০ দিন

২৭ ঘন্টা

১.২ লেয়ার মুরগী পালন ও খামার স্থাপন

৭-১০ দিন

২৭ ঘন্টা

১.৩  উন্নতমানের হাঁস-পালন ও খামার স্থাপন

৭-১০ দিন

২৭ ঘন্টা

গবাদী পশু পালনঃ

 

 

২.১  গরম্ন মোটাতাজাকরন

৭-১০ দিন

২৭ ঘন্টা

২.২  গাভী পালন

৭-১০ দিন

২৭ ঘন্টা

২.৩  ছাগল পালন

৭-১০ দিন

২৭ ঘন্টা

মৎস্য চাষ বিষয়কঃ

 

 

৩.১  মৎস্য চাষ

৭-১০ দিন

২৭ ঘন্টা

৩.২  চিংড়ি চাষ

৭-১০ দিন

২৭ ঘন্টা

কৃষি বিষয়কঃ

 

 

৪.১  শাক-সবজি চাষ (শীত ও গ্রীষ্ম কালীন)

৭-১০ দিন

২৭ ঘন্টা

৪.২  মাশরম্নম চাষ

৭-১০ দিন

২৭ ঘন্টা

৪.৩  নার্সারী সৃজন/ ব্যবস্থাপনা

৭-১০ দিন

২৭ ঘন্টা

৪.৪   বনায়ন

৭-১০ দিন

২৭ ঘন্টা

৪.৫   ফুলের চাষ

৭-১০ দিন

২৭ ঘন্টা

অন্যান্যঃ

 

 

৫.১  সেলাই/দর্জি প্রশিÿণ

৭-১০ দিন

২৭ ঘন্টা

 

 

এই উপজেলায় ২৪৪৭ জন যুব এবং ১৪৮৯ জন যুব মহিলা মোট ৩৯৩৬ জনকে প্রশিÿণ প্রদান করা হয়েছে।

(২) প্রশিÿÿত যুবদের আত্মকর্মসংস্থান কর্মসূচিঃএই কর্মসুচির মাধ্যমে প্রশিÿÿত যুবদের মধ্যে এই উপজেলায় ২৯৭৫ জন যুব এবং ২০৯৮ জন যুব মহিলা মোট ৫০৭৩ জন কে আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত করা হয়েছে।

(৩) যুব ঋণ কর্মসূচীঃপ্রশিÿণ প্রাপ্ত বেকার যুবদের আত্মকর্মসংস্থানের লÿÿ্য শর্ত সাপেÿÿ যুব ঋণ/ ÿুদ্র ঋণ প্রদান করা হয়ে থাকে । প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিÿণের অনুকুলে এই ঋণ প্রদান করা হয়। জেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে পরিচালিত ১-৬ মাস মেয়াদী প্রশিÿণ সমূহ প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিÿণ হিসাবে পরিগণিত হয়। প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের সীমা ৪০,০০০ - ১০০,০০০ টাকা এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋনের সীমা ৩০০০০-৪০০০০ টাকা। এই উপজেলার ৬৪৬ জন প্রশিÿÿত যুবর মাঝে ৯৮৬৮০০০০/= টাকা যুব ঋণ /ÿুদ্রঋণ হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে।

(৪) উদ্বুদ্ধকরণ ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচিঃ এই কর্মসূচীর আওতায় শিÿÿত ও বেকার যুবদের এইচ আই ভি / এইডস/ এস টি ডি প্রতিরোধ, প্রজনন স্বাস্থ্য , মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার,সামাজিক রীতিনীতি , মূল্যবোধ,জেন্ডার ও উন্নয়ন, পরিবেশ সংরÿণ, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা , জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রন , পরিবার কল্যান ইত্যাদি বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করণ ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়।

(৫) সরকারী ও বে-সরকারী পার্টনারশীপ (নেটওয়াকিং) কর্মসূচিঃ এই কর্মসুচীর আওতায় বিভিন্ন সরকারী ও বে-সরকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাÿরের  মাধ্যমে দÿতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিÿণ ও সমাজ সচেতনতা মুলক কর্মসুচী বাসত্মবায়িত হয়।‘‘যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ও যুব সংগঠনের মাধ্যমে কর্মসূচি ভিত্তিক নেটওয়ার্কিং জোরদারকরন প্রকল্পের’’ আওতায় এই উপজেলায় (ক) ভিউ,কুড়িগ্রাম (খ) অপরাজিতা মহিলা সংস্থা নামক দুটি যুব সংগঠনকে অমত্মর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রত্যেক সংগঠনের আওতায় ৩৬০ জন যুব কে সচেতনতা বৃদ্ধি মূলক প্রশিÿণ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও জেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে প্রত্যেক সংগঠনের ২২ জন যুব কে ১০ দিন মেয়াদী কম্পিউটার প্রশিÿণ প্রদান করা হয়েছে।

(৬) শিক্ষিত বেকার যুবদের অস্থায়ীভিত্তিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি -ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি বরতমান সরকারের বাস্তবায়িত একটি কর্মসূচি। এই কর্মসূচির মাধ্যমে অত্র উপজেলার ৪৮৫৬ জন বেকার যুব ২ বৎসরের অস্থায়ী কর্মসংস্থানে বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী সংস্থায় কর্মরত ছিল। প্রশিক্ষণ কালীন সময়ে দৈনিক ১০০/= টাকা এবং সংযুক্তি কালীন দৈনিক ২০০/= টাকা ভাতা হিসেবে মাসে ৬০০০/= প্রদান করা হয়। কুড়িগ্রাম জেলার দারিদ্র দূরীকরণে এ কর্মসূচি খুবই ইতিবাচক ভূমিকা গ্রহণ করেছে এবং অদ্যবধি করছে।

(৭) মংগা দূরীকরণ কর্মসূচিঃ উত্তরবঙ্গের ৭ জেলায় মংগা দূরীকরণে বেকার যুবদের কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থান সুযোগ সৃষ্টি শীর্ষক নতুন প্রকল্প বাসত্মবায়নের জন্য এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথমত যতদুর সম্ভব একই গ্রামের কিছু সংখ্যক পরিবারের যুব সদস্যদের সমন্বয়ে (১৮-৩৫ বৎসর) ৫ জনের দল গঠন করতে হবে। এরকম ৫ টি দল নিয়ে ১ টি কেন্দ্র গঠন করা হয়। দলের সদস্যদের কে কর্মসংস্থান বিষয়ে প্রশিÿণ প্রদান করা হবে এবং তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।


Share with :

Facebook Twitter